প্রতিনিধিরা তাদের কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থায় পরিবর্তন আনবে। -চেয়ারপার্সন (SCBA) সংগঠনটির তৃতীয় অধিবেশনে উল্লেখ্য বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে সকলের উপর সমতা। সংঠনটির চেয়ারপার্সন মনে করেন সকল প্রতিনিধিকে সমানভাবে তাদের বক্তব্য দিতে সহায়তা করলে তাদের মধ্যে বক্তৃতা দেওয়ার প্রবণতা বাড়বে ফলে তাদের দক্ষতার মূল্যায়ন করা হবে। সংযূক্ত আরব আমিরাতের প্রতিনিধি বলেছেন বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থা মূলত জিপিএ ৫ অন্তভুক্ত, এ শিক্ষা জ্ঞান অর্জনের শিক্ষা নয়। টেকশই উন্নয়ন লক্ষমাত্রার চার নম্বর বিষয় হলো "শিক্ষা ব্যবস্থার মানোন্নয়ন করা" কিন্ত বাংলাদেশ শিক্ষা ব্যবস্থার দিকে নজর না দিয়ে অন্য সকল দিকে দৃষ্টিপাত করে আছেন। তার এই বক্তব্য সংগঠনে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। এরপরেও তারা মনে করেন আর্জেন্টিনা, চীন ও রাশিয়ান প্রতিনিধি বেশ ভাল বক্তৃতা দিয়ে অধিবেশনটিকে ভাল একটি দিকে নিয়েছেন। তাদের আলোচ্য বিষয় "মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষার ত্রুটি সমূহ" এর প্রেক্ষিতে রাশিয়ার প্রতিনিধি মনে করেন যৌনশিক্ষা, মাধ্যমিক শিক্ষায় গণতান্ত্রিক শিক্ষার অন্তর্ভুক্তকরণ ও গ্রামাঞ্চলে উন্নত শিক্ষা প্রসারের মাধ্যমে এ সকল সমস্যার সমাধান পাওয়া সম্ভব। কিন্ত আমেরিকান প্রতিনিধি এর বিপক্ষে মত দিয়ে বলেছেন, "শিক্ষা ব্যবস্থার মানোন্নয়ন এর পূর্বে জঙ্গীবাদ এর দিকে নজর দিলে ছাত্ররা তাদের পড়ালেখার দিকে মনোযোগী হতে পারবে।" সংগঠনটির এ বক্তব্যকে উল্লেখ্য করে বলেছেন "এ সকল বিষয়গুলো একে অপরের সাথে সম্পর্কিত তাই বিষয় গুলো পরবর্তীতে খসড়াপত্র আলোচনায় তুলে ধরতে বলেছেন। প্রতিনিধিরা সকল সমস্যার মূল কারণ গুলো অনেক দক্ষতার সাথে বের করে আনছে যা দেশের শিক্ষাব্যবস্থার মানোন্নয়নকে অনেকাংশে তৎপর করবে বলে আশা করা যাছে।