Till now 2720 people shared their photos.



How you meed your best friend

I have shared my photo with my best friend. You can also share yours.
How I met my best friend - Friendship Day 2017. The Daily Star campaign. Gift Partner: HUAWEI.

Asif is my best friend. First met: সাল ২০১৪। স্থান পটুয়াখালি। দুটি ছেলে হাটতে বেরিয়েছে। একজন হিন্দু আরেকজন মুসলমান।যাই হোক তা নিয়ে কোনো ঝামেলা ছিল না। সময়টা ছিল শীতের শেষ অর্থাত বসন্তের শুরু।তা যাই হোক উভয়ের পড়নেই ছিল হাল্কা শীতের পোশাক। তারা সাধারন দিনগুলোর মত হাটতে থাকে। প্রতিদিনের স্যারের কাছে পড়ে সেই দুই ছেলে হাটত আর গেমস নিয়ে আলাপ করত। সেদিনও তারা হাটতে ছিল আর দুষ্টামি করতেছিল।তখনই আরেকটি বন্ধুর সাথে দেখা যে সদ্য সেই এলাকায় এসেছিল এবং সেই স্কুলেও নতুন।সে তার ববার সাথে ঘুরতে বেরিয়েছে। অবশ্য সাইকেল চালাতে।তার একটি সাইকেল ছিল এবং সেই সাইকেল সে বিকালে চালাত। কারন তার বাবা চাইত সে মোটামুটি সব দিক থেকে পারদর্ষী হোক। তাছাড়াও বিনোদনের জন্য সাইকেল ভালই।সেই ছেলেটির সাথে অবশ্য অপর দুই ছেলের তেমন যোগাযোগ ছিল না।তারপররেও সেই দিনটি ছিল তাদের পরিচয়ের কাহিনি। সেই পুরানো দুই বন্ধু সেদিন বসে ছিল হাটা শেষ করে। এলাকার নতুন ছেলেটি সাইকেল চালানো শুরু করে।কিছুক্ষন পরেই সে অই দুই ছেলেকে দেখে একটু হাসে। অই দুই বন্ধুর বুঝতে বাকি নেই যে নতুন ছেলেটি তাদের বন্ধুত্বের হাসি দেখিয়েছে। সেই দুই বন্ধুর মধ্যে দুজনেরই সাইকেল চালানোর ইচ্ছা ছিল। নতুন ছেলেটি সাইকেল চালিয়ে অই দুই বন্ধুর সামনে দিয়ে যায়।এভাবে কয়েকবার যাওয়ার পরে দুই বন্ধুর একজন তার জুতা রাস্তার মাঝখানে ফেলে দেয় এবং বলে যে "ট্রাফিক মেনে জুতার পাশ দিয়ে যান।"কিন্তু নতুন ছেলেটি ইচ্ছে করেই জুতাটির উপর দিয়ে সাইকেল নিয়ে যায়। এভাবে দ্বিতীয় বার একইভাবে যাওয়ার পর তিনজনঅই বেপক মজা পায়। পর্যায়ক্রমে যাওয়ার পর নতুন জন ভাব বিনিময়ের জন্য আসে অই দুই বন্ধুর কাছে।অবশ্য তারস হাসি থামতে ৩ মিনিট ব্যয় করেছিল। কারন পুরান দুই বন্ধুর একজন বলে ওঠে বাটার জুতো সাইকেল দিয়ে বেটে দিল। তারপর তারা স্বভাবত নাম জেনে নেয়। এবং অন্যান্য আলাপ করে। পরের দিন থেকে তারা একে অপরের ত বাসায় যায় এবং সাইকেলও চালায়। তা যাই হোক এতক্ষন যা বললাম তা কোনো গল্প না। আমার জীবনের স্মৃতীর একটি ক্ষুদ্র অংশ।অই পুরান দুই বন্ধুর একজন অর্থাৎ ৪৯০ টাকার বাটার জুতার মালিক আমি অর্থাৎ হাফিজুল ইসলাম।আর অপরজন ছিল বিজয়। আর নতুন ছেলেটি আর কেউ না, ফেচবুকের ফেমাস আসিফুজ্জামান অর্থাৎ আসিফ জামান। এই দুই ব্যক্তির বন্ধুত্বের সূচনার পেছনে অবদান কোনো সোস্যাল নেটয়ার্কের নয় বরঙ এক জোড়া জুতার, যা একটি অদ্ভুতই বলা চলে।সেই জুতা জোড়া অবশ্য আজ নেই। কিন্তু আজ দূরে আসার পরেও আমাদের বন্ধুত্ব টিকে আছে এবং আশা করি টিকে থাকবে ইনশা আল্লাহ। ২০১৪-২০১৭ প্রথমের মতই হাফিজুল রসিক আর আসিফ সিরিয়াস। বন্ধুত্বের সূচনা বিভিন্ন ধরনের হতে পারে। আর বিজয়ের সাথে আম্আর আরো আগেই বন্ধুত্ব। এই আসিফের সাথে ঘটনা বরই অদ্ভুত। তারপরের কাহিনি দর্শকের জানা। ফেসবুকে তারা কমেন্টে বহু ঝগড়া করলেও বাস্তবে তাদের জীবন অন্য। তারা মজা আর ফুর্তিতে দিন কাটায়। আজ অনেক দূরে এসে এই দিনতির কথা মনে পড়ে গেল। তাই অপেক্ষা না করে মনের ভাষায়ই এই ছোট্ট ইতিহাস লেখা। এই কাহিনিটার নায়কই হল সেই জুতা। অবশ্য সবকিছুর মূলে তো ভাগ্যই দ্বায়ী।তা যাই হোক শেষ টুকু মজাই করতে চাই। জুতা তোমারে সেলাম তুমি পায়ের নিচে থেকেও এক সুন্দর বন্ধুত্বের সূচনা করে দেখালে😊. সমাপ্ত. 4 years of friendship.


By Kazi Islam Vote Share

Votes: 0